Search Results
Search this site
40 results found with an empty search
- সীমান্তের জাগ্রত প্রহরী: ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর বীর জওয়ানদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা ও সেলাম!
আজ ১৫ই আগস্ট, ২০২৬। সমগ্র দেশ যখন উৎসবের আলোয় সেজে উঠে ভারতের ঐতিহাসিক ৮০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করছে, যখন আমরা পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘরে বসে ছুটির দিন উপভোগ করছি, তখন আমাদের একটু চোখ ফেরাতে হবে দেশের সীমান্তগুলোর দিকে। এই যে আমরা শান্তিতে ঘুমাতে পারছি, বুক ফুলিয়ে স্বাধীন দেশে বাঁচতে পারছি—তার পেছনের আসল কারিগর কারা জানেন? আমাদের ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর (Indian Armed Forces) অকুতোভয় বীর জওয়ানেরা। আজকের এই বিশেষ দিনে আমাদের সেই সমস্ত বীর সৈনিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার দিন, যাঁরা দেশের সুরক্ষাকে নিজেদের জীবনের চেয়েও বড় করে দেখেছেন। আমরা যখন সামান্য ঠান্ডায় ঘরের কম্বল ছেড়ে বের হতে চাই না, তখন আমাদের দেশের জওয়ানেরা মাইনাস ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় জমে যাওয়া সিয়াচেন হিমবাহে দাঁড়িয়ে তুষারঝড়ের মুখোমুখি হন। আবার যখন গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহে জীবন ওষ্ঠাগত হয়, তখন রাজস্থানের থর মরুভূমির ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের জ্বলন্ত বালিতে দাঁড়িয়ে তাঁরা শত্রুর ওপর কড়া নজর রাখেন। উত্তর-পূর্ব ভারতের দুর্গম পাহাড়ি জঙ্গল হোক বা ভারত মহাসাগরের উত্তাল ঢেউ—ভারতীয় সেনা (Army), বিমানবাহিনী (Air Force) এবং নৌবাহিনীর (Navy) কাছে একটাই ধর্ম, আর তা হলো—"Nation First, Always First" (দেশ আগে, সব সময় আগে)। দীপাবলির প্রদীপ হোক বা ইদের আনন্দ, দুর্গাপূজার মণ্ডপ হোক বা স্বাধীনতা দিবসের উদযাপন—যেকোনো উৎসবের দিনেই আমাদের জওয়ানেরা তাঁদের মা, বাবা, স্ত্রী ও সন্তানদের ছেড়ে দেশের সীমান্তে এক বুক একাকীত্ব নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন। তাঁদের এই ত্যাগের কোনো মূল্য হয় না। শুধু জওয়ানেরা নন, স্যালুট জানাতে হয় তাঁদের পরিবারকেও, যাঁরা প্রতিদিন এক বুক উৎকণ্ঠ ও গর্ব নিয়ে তাঁদের বীর সন্তানদের ফিরে আসার অপেক্ষায় দিন গোনেন। আজকের এই পবিত্র দিনে, কারগিল থেকে শুরু করে গালওয়ান পর্যন্ত—দেশের অখণ্ডতা রক্ষা করতে গিয়ে যে সমস্ত বীর জওয়ানরা নিজেদের বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়ে শহীদ হয়েছেন, সেইসব অমর আত্মাকে DailyTalkies20 এর পক্ষ থেকে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা ও শতকোটি প্রণাম।
- ৮০ বছরের গৌরব ও স্বাধীনতা: ভারতের ৮০তম স্বাধীনতা দিবসে ঐতিহাসিক শুভেচ্ছা!
আজ ১৫ই আগস্ট, ২০২৬। সমগ্র বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা প্রতিটি ভারতীয়ের জন্য আজ এক পরম পবিত্র এবং ঐতিহাসিক দিন। দেখতে দেখতে ১৯৪৭ সালের সেই ঐতিহাসিক মাহেন্দ্রক্ষণ থেকে আজ আমরা স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে পার করে ফেললাম দীর্ঘ ৮০টি বছর! আজ যখন দেশের আকাশে আমাদের প্রিয় তেরঙা পতাকা সগৌরবে উড়ছে, তখন প্রতিটা ভারতীয়ের বুক গর্বে আর আনন্দে ভরে উঠছে। আজকের এই মুক্ত বাতাস, এই স্বাধীন পথ চলা কোনো উপহার ছিল না। এর পেছনে রয়েছে দীর্ঘ দুই শতকের পরাধীনতার শৃঙ্খল ভাঙার লড়াই। আমাদের মাথা নত হয় সেইসব মহান দেশপ্রেমিক, বীর বিপ্লবী এবং স্বাধীনতা সংগ্রামীদের চরণে, যাঁরা হাসিমুখে ফাঁসির দড়ি গলায় পরেছিলেন, সেলুলার জেলের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে অমানবিক অত্যাচার সহ্য করেছিলেন এবং বুকে বুলেট নিয়ে ভারতকে মুক্ত করেছিলেন। তাঁদের সেই অবিস্মরণীয় আত্মত্যাগ ছাড়া আজকের এই স্বাধীন ভারতের অস্তিত্ব কল্পনা করা অসম্ভব ছিল। বিগত ৮০ বছরে আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি এক দীর্ঘ ও গৌরবময় পথ অতিক্রম করেছে। সুঁই সুতা থেকে শুরু করে আজ আমরা চন্দ্রযান ও মঙ্গলযানের যুগে পদার্পণ করেছি। প্রযুক্তি, অর্থনীতি, মহাকাশ গবেষণা, খেলাধুলা থেকে শুরু করে সংস্কৃতি—বিশ্বমঞ্চের প্রতিটি ক্ষেত্রে ভারত আজ এক অপ্রতিরোধ্য নাম। আমাদের এই বৈচিত্র্যের মধ্যে একতাই হলো আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। নানা ভাষা, নানা মত এবং নানা পরিধানের মধ্যেও আমরা সবাই সবার আগে এক এবং অনন্য—"ভারতীয়"। আজকের এই আনন্দের দিনে আমরা কৃতজ্ঞতা জানাই ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর (Indian Armed Forces) সেইসব অকুতোভয় জওয়ানদের, যাঁরা মাইনাস ডিগ্রি বরফে ঢাকা সিয়াচেন থেকে শুরু করে তপ্ত থর মরুভূমিতে দাঁড়িয়ে দিন-রাত আমাদের রক্ষা করছেন। আপনারা সীমান্তে জাগ্রত আছেন বলেই, আজ দেশের ১৪০ কোটি মানুষ শান্তিতে স্বাধীনতার এই উৎসব উদযাপন করতে পারছে। আসুন, এই ৮০তম স্বাধীনতা দিবসে আমরা সবাই মিলে প্রতিজ্ঞা করি—আমরা আমাদের একতা, অখণ্ডতা এবং প্রগতির ধারাকে অক্ষুণ্ণ রাখব। দুর্নীতি, বৈষম্য এবং কুসংস্কারমুক্ত এক শ্রেষ্ঠ ভারত গড়ে তুলতে আমরা প্রত্যেকে নিজের জায়গা থেকে অবদান রাখব।
- বীর বিপ্লবীদের রক্তে রাঙা আমাদের এই স্বাধীনতা! ইতিহাসের পাতায় অমর যাঁরা: বীর স্বাধীনতা সংগ্রামীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি
আজ ১৫ই আগস্ট, ২০২৬। দেখতে দেখতে ভারত তার স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে গৌরবময় ৮০তম স্বাধীনতা দিবসে পদার্পণ করল। আজ যখন দেশের আকাশে তেরঙা পতাকা সগৌরবে উড়ছে, যখন আমরা মুক্ত বাতাসে বুক ভরে নিঃশ্বাস নিচ্ছি, তখন আমাদের ফিরে তাকাতে হবে ইতিহাসের সেই রক্তঝরা দিনগুলোর দিকে। এই স্বাধীনতা কোনো উপহার ছিল না, এটি ছিল লক্ষ লক্ষ প্রাণের বলিদান, অগণিত মায়ের কোল খালি হওয়া এবং শত শত বীরের বুকের তাজা রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এক পরম প্রাপ্তি। আমরা আজ শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি সেইসব মহান বিপ্লবীদের, যাঁদের অদম্য জেদ আর সাহসের সামনে একসময় থরথর করে কাঁপত ব্রিটিশ রাজত্ব। ফাঁসির মঞ্চে দাঁড়িয়েও যাঁদের কণ্ঠে ধ্বনিত হতো—"ইনকিলাব জিন্দাবাদ"। যাঁরা ডাক দিয়েছিলেন—"তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব!" যাঁরা বুকে বুলেট নিয়ে, হাসিমুখে দেশের জন্য নিজেদের উৎসর্গ করেছিলেন। চট্টগ্রামের পাহাড়-জঙ্গলে মাস্টারদার সেই গেরিলা লড়াই, ঝাঁসির রানীর সেই অদম্য সিংহাসন রক্ষার যুদ্ধ, কিংবা সেলুলার জেলের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে অমানবিক অত্যাচার সহ্য করেও বিপ্লবীদের অবিচল থাকা—এইসব গল্প আমাদের মনে করিয়ে দেয় আমরা কতটা বীরের জাতি। ইতিহাসের মূল পাতায় নাম থাকা মহানায়কদের পাশাপাশি আজ আমাদের স্মরণ করতে হবে সেইসব 'Unsung Heroes' বা নাম না জানা হাজারো সাধারণ মানুষকে—কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র ও মায়েরা—যাঁরা লোকচক্ষুর আড়ালে থেকে দেশের স্বাধীনতার জন্য নিজেদের সবকিছু বিলিয়ে দিয়েছিলেন। তাঁদের নাম হয়তো আমরা কোনো পাঠ্যবইয়ে পাই না, কিন্তু তাঁদের ত্যাগ ছাড়া আজকের এই আধুনিক, শক্তিশালী ও প্রগতিশীল ভারত গড়ে ওঠা সম্ভব হতো না।
- অ্যান্টি-নিট (anti-NEET) বিলের পর, লোকসভার সদস্যসংখ্যা ৫৪৩-এ অপরিবর্তিত রাখা এবং নারী সংরক্ষণকে সমর্থন জানিয়ে প্রস্তাব পেশ করবেন বিজয়।
তামিলনাড়ু বিধানসভায় NEET পরীক্ষা বাতিলের দাবি সম্বলিত একটি বিল পেশ করার পরদিন, মুখ্যমন্ত্রী বিজয় নির্বাচনী এলাকার সীমানা পুনর্নির্ধারণ (ডিলিমিটেশন) এবং নারী সংরক্ষণ বিলের বিষয়ে একটি প্রস্তাব পেশ করতে চলেছেন। বিভিন্ন প্রতিবেদন অনুযায়ী, TVK নেতার এই প্রস্তাবে কেন্দ্রের কাছে আহ্বান জানানো হয়েছে যেন লোকসভা ও রাজ্যসভার আসন সংখ্যা যথাক্রমে ৫৪৩-এ অপরিবর্তিত রেখে তাদের অনুপাত ২.২ : ১ বজায় রাখা হয়। পাশাপাশি, এই প্রস্তাবে লোকসভার বর্তমান ৫৪৩টি আসনে ৩৩ শতাংশ নারী সংরক্ষণ ব্যবস্থা অবিলম্বে কার্যকর করারও দাবি জানানো হয়েছে। প্রস্তাবে বলা হয়েছে, "তামিলনাড়ু-সহ সমস্ত রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোর জনগণ বা নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ক্ষেত্রে ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে জনসংখ্যা গণনা করা হয়নি। পরবর্তী আদমশুমারি ২০২৬ সালে হওয়ার কথা ছিল। যেহেতু গত ৫০ বছর ধরে নির্বাচনী এলাকার সীমানা পুনর্নির্ধারণ করা হয়নি, তাই ২০১১ সালের আদমশুমারির ভিত্তিতে সীমানা পুনর্নির্ধারণ করা উচিত এবং একটি সাংবিধানিক সংশোধনী বিলের মাধ্যমে লোকসভা ও বিধানসভার সদস্য সংখ্যা ৫৫০ থেকে বাড়িয়ে ৮৫০ করা উচিত।" রাজ্য সরকার এই যুক্তি তুলে ধরার জন্য প্রস্তুত যে, যদি কেন্দ্র সরকার ১৯৭১ সালের পরবর্তী কোনো আদমশুমারির ভিত্তিতে সীমানা পুনর্নির্ধারণ করে, তবে তামিলনাড়ু-সহ দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলোর—যারা সফলভাবে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করেছে—সংসদীয় প্রতিনিধিত্ব স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
- মহান বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুর আত্মত্যাগ দিবসে, পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির প্রধান মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার এই বিপ্লবীর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন
মহান বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুর আত্মত্যাগ দিবসে, পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির প্রধান মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার এই বিপ্লবীর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেন, “মহান বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুর সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের কাছে জাতি ও দেশের মানুষ চিরঋণী হয়ে থাকবে। পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির পক্ষ থেকে আমরা তাঁর পবিত্র স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও প্রণাম জানাই।” রাহুল গান্ধীর সাম্প্রতিক রাজনৈতিক আচরণের তীব্র সমালোচনা করে দেবজিৎ সরকার বলেন, “আজ রাহুল গান্ধী ও কংগ্রেসের কার্যকলাপ সংসদীয় গণতন্ত্রের মর্যাদা ও সম্মানকে প্রশ্নের মুখে ঠেলে দিয়েছে। ক্রমাগত মিথ্যা ছড়ানো, বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা এবং অপপ্রচার চালানোই এখন তাঁদের রাজনৈতিক কৌশলে পরিণত হয়েছে। করদাতাদের অর্থে পরিচালিত সংসদকে ব্যাহত করার অধিকার কারও নেই।” তিনি আরও বলেন, “নিট (NEET) পরীক্ষা ইস্যুতে রাহুল গান্ধী বারবার নিজের অবস্থান পরিবর্তন করেছেন। শুরুতে দাবি ছিল প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার করতে হবে। গ্রেপ্তার শুরু হতেই দাবি বদলে গিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়ে পরিণত হয়। সরকার যখন আলোচনার জন্য সম্মত হলো, তখন দাবি আবার পরিবর্তিত হয়ে দাঁড়াল—‘আলোচনা নয়, পদত্যাগই চাই’। এরপর নিট পরীক্ষা প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনার দাবি তোলা হলো। সরকার সেই আলোচনাতেও রাজি হওয়ার পর নতুন দাবি সামনে এল—স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ এবং তাঁর কাছ থেকে বিবৃতি।” দেবজিৎ সরকার বলেন, “এটি গঠনমূলক বিরোধিতা নয়। এটি সংসদীয় প্রক্রিয়াকে ক্ষুণ্ণ করার একটি সুপরিকল্পিত প্রচেষ্টা। সরকার যখন বারবার বলছে ‘আসুন, আমরা আলোচনায় বসি’, তখন সেই আলোচনা প্রত্যাখ্যান করা এবং সংসদের কাজে ব্যাঘাত ঘটানো গণতন্ত্রকেই অপমান করার শামিল।” নিট (NEET) প্রশ্নপত্র ফাঁস মামলায় তদন্তকারী সংস্থাগুলোর পদক্ষেপের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, “দেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা চলছে। তদন্তের অংশ হিসেবে সিবিআই এবং রাজ্য পুলিশ ইতিমধ্যেই বিভিন্ন রাজ্য থেকে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করেছে। মহারাষ্ট্র, রাজস্থান, হরিয়ানা ও বিহার থেকে মোট ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্ত চলছে এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।” সোনম ওয়াংচুককে গ্রেপ্তার বা জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে দেবজিৎ সরকার বলেন, “সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনেই তাঁকে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। অথচ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সেই ঘটনাটিকেও ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশ পালনকে ‘সরকারি দমন-পীড়ন’ হিসেবে তুলে ধরাটা আসলে মানুষকে বিভ্রান্ত করারই একটি অপচেষ্টা।”
- স্বাভাবিক মেট্রো পরিষেবা পুনরায় শুরু হয়েছে।
নিয়মিত পরিদর্শন ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজের সময় নোয়াপাড়া ও বরানগরের মধ্যে সিগন্যালিং নেটওয়ার্কে একটি ত্রুটি ধরা পড়ে, যার ফলে ওই অংশে সিগন্যালিং ব্যবস্থা অকার্যকর হয়ে পড়ে। যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে মেট্রো পরিষেবা সাময়িকভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয় এবং আজ সকাল ৬টা থেকে ৬টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত গিরিশ পার্ক ও শহীদ ক্ষুদিরামের মধ্যে ট্রেন চলাচল করানো হয়। সকাল ৬টা ৩০ মিনিট থেকে শহীদ ক্ষুদিরাম ও দক্ষিণেশ্বরের মধ্যে স্বাভাবিক মেট্রো পরিষেবা শুরু হয়। যাত্রীদের নিরাপত্তাই আমাদের কাছে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ। নির্ধারিত নিরাপত্তা বিধি মেনে এই অংশে ট্রেন চালানো হচ্ছে। যাত্রীদের অসুবিধার জন্য মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে দুঃখিত। সিগন্যালিংয়ের ত্রুটিটি সারানোর কাজ চলছে। “আমার মেট্রো” যাত্রীদের অব্যাহত সহযোগিতা ও সমর্থনকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয় এবং নিরাপদ, নির্ভরযোগ্য ও যাত্রী-বান্ধব মেট্রো পরিষেবা প্রদানে সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
- কলকাতায় শাটল নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করল যাত্রী সাথী, চালু হচ্ছে চারটি নতুন রুট ও বাড়ছে ট্রিপ
দৈনন্দিন যাত্রী এবং শাটল মালিক—উভয়ের জন্যই একটি নির্ভরযোগ্য ও টেকসই শাটল পরিষেবা ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে এই সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। যাত্রীদের জন্য নিয়মিত ও সুবিধাজনক শেয়ার্ড ট্রান্সপোর্ট পরিষেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি, এমন একটি টেকসই পরিচালন মডেল তৈরি করাই যাত্রী সাথীর লক্ষ্য, যাতে শাটল মালিকরাও দীর্ঘমেয়াদে এই রুটগুলিতে পরিষেবা চালিয়ে যেতে পারেন। বর্তমানে চালু থাকা শাটল রুট বর্তমানে যাত্রী সাথী শাটল পরিষেবা চারটি রুটে চালু রয়েছে: ব্যারাকপুর থেকে সেক্টর V শ্রীরামপুর থেকে সেক্টর V বালি থেকে সেক্টর V সোনারপুর থেকে নিউ টাউন হয়ে সেক্টর V এই রুটগুলিতে ট্রিপের সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি আগামী দিনে আরও চারটি নতুন রুট চালু করবে যাত্রী সাথী: নৈহাটি থেকে সেক্টর V বিজয়গড় থেকে নিউ টাউন হয়ে সেক্টর V রানিকুঠি থেকে নিউ টাউন হয়ে সেক্টর V বারাসত থেকে সেক্টর V নতুন রুটগুলির মাধ্যমে উত্তর কলকাতা, দক্ষিণ কলকাতা এবং সংলগ্ন এলাকায় শাটল পরিষেবার পরিধি আরও বাড়বে। এর ফলে সেক্টর V ও নিউ টাউনের মতো গুরুত্বপূর্ণ কর্মসংস্থান কেন্দ্রগুলিতে যাতায়াতকারী মানুষের জন্য আরও বেশি যাতায়াতের বিকল্প তৈরি হবে। যাত্রী সাথীর এক মুখপাত্র বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধু নতুন রুট যোগ করা নয়, এমন একটি শাটল নেটওয়ার্ক তৈরি করা, যা দীর্ঘমেয়াদে নির্ভরযোগ্যভাবে পরিচালনা করা যায়। আমরা এমন একটি মডেল তৈরি করতে চাই, যা যাত্রী এবং শাটল মালিক—উভয়ের জন্যই কার্যকর ও টেকসই। চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা আরও ট্রিপ চালু করব এবং যেসব নতুন করিডরে টেকসইভাবে পরিষেবা পরিচালনা করা সম্ভব, সেখানে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করব।” শাটল পরিষেবার মাধ্যমে নিয়মিত যাতায়াতকারী মানুষের জন্য আরও সুবিধাজনক একটি বিকল্প তৈরি করার লক্ষ্য রয়েছে যাত্রী সাথীর। বিশেষ করে সেক্টর V এবং নিউ টাউনের মতো গুরুত্বপূর্ণ কর্মসংস্থান কেন্দ্রে প্রতিদিন যাতায়াতকারী মানুষের জন্য এই পরিষেবা আরও সুবিধাজনক ও নির্ভরযোগ্য গণপরিবহণের বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। দৈনন্দিন যাতায়াতে আরও বেশি মানুষকে দক্ষ শেয়ার্ড পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ব্যবহারে উৎসাহিত করাই যাত্রী সাথীর দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য। এর ফলে ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার কমানো এবং সময়ের সঙ্গে কলকাতার যানজট হ্রাসে অবদান রাখার পাশাপাশি আরও টেকসই শহুরে পরিবহণ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সাহায্য করবে এই উদ্যোগ। সাম্প্রতিক এই সম্প্রসারণের পরেও যাত্রী সাথী গ্রাহকদের চাহিদা এবং পরিচালনগত সম্ভাবনার ভিত্তিতে শাটল নেটওয়ার্ক আরও শক্তিশালী করার কাজ চালিয়ে যাবে। আগামী কয়েক মাসে আরও নতুন রুট এবং অতিরিক্ত ট্রিপ চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে সংস্থার। গ্রাহকরা যাত্রী সাথী অ্যাপের মাধ্যমে উপলব্ধ শাটল রুট, সময়সূচি দেখতে এবং নিজেদের আসন বুক করতে পারবেন।
- প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের উপর বিজেপির পরিকল্পিত হামলার প্রেক্ষিতে পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারের প্রতিক্রিয়া
রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের উপর আজ বিজেপির পরিকল্পিত হামলার আমরা তীব্র নিন্দা করি। এই রাজ্যে বর্তমানে আইনের শাসন নয়, শাসকের আইন চলছে! মমতা বন্দোপাধ্যায় এই রাজ্যের প্রথম মহিলা মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন, তাঁর নিরাপত্তা ও সুরক্ষা সুনিশ্চিত করা রাজ্য সরকার ও প্রশাসনের অন্যতম দায়িত্ব। সেই দায়িত্ব পালনে এই রাজ্যের বর্তমান বিজেপি সরকার সম্পূর্ণ ভাবে ব্যর্থ। এ প্রসঙ্গে উল্লেখ্য যে, আজই আর জি কর কান্ডে অভয়ার মৃত্যুর দু'বছর পূর্ণ হলো। আজও অভয়া বিচার পাননি। সেই ব্যর্থতার দায় বিজেপি এড়িয়ে যেতে পারেনা। সেই সময় কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের দায়সারা পদক্ষেপ এবং আজকের রাজ্যের বিজেপি সরকারের অভয়ার বিচারের বিষয়ে উদ্যোগহীনতা দিনের আলোর মতই স্পষ্ট। অভয়া কান্ডের দু'বছর পূর্ণ হবার দিনেই তাই বিজেপির ওই ব্যর্থতার দিক থেকে মানুষের চোখ ও আলোচনার প্রসঙ্গ ঘুরিয়ে দিতেই কি মমতা বন্দোপাধ্যায়ের উপর এই হামলা? নাকি বিগত দিনে যেভাবে তৃণমূল সরকার বিজেপি কে অক্সিজেন দিত ঠিক সেই একইভাবে আজকের এই রাজ্যের বিজেপি সরকার ক্রমশ অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়া তৃণমূলকে প্রাসঙ্গিক করার লক্ষে তৃণমূলকে রাজনৈতিক ভাবে অক্সিজেন সাপ্লাই দিতেই এই হামলা চালালো! রাজ্যের প্রাক্তন প্রথম মহিলা মুখ্যমন্ত্রীর উপর বিজেপির এই হামলার কোনো আগাম খবর কি গোয়েন্দা দফতরের কাছে ছিলোনা? যদি তা হয় তবে তা সরকারের গোয়েন্দা দফতরের ব্যর্থতা। নাকি গোয়েন্দা দফতরের রিপোর্ট থাকা সত্ত্বেও তার ভিত্তিতে কার্যকরী পদক্ষেপ সরকার গ্রহণ করেনি? সমস্ত বিষয়টিই আজ সামনে আনতে হবে। কংগ্রেস মনে করে রাজনৈতিক মতভেদ থাকতেই পারে কিন্তু রাজ্যের প্রাক্তন প্রথম মহিলা মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তার দেখভাল সম্পূর্ণ ভাবেই রাজ্য সরকারের দায় ও দায়িত্ব। সে দায়িত্ব রাজ্য সরকার কোনো ভাবেই এড়িয়ে যেতে পারেনা।
- চলুন ফটো গ্যালারিটা দেখে নিই।
পানিহাটিতে ডঃ অভয়া দেবনাথ মেমোরিয়াল ট্রাস্টের উদ্যোগে "স্মরণে অভয়া" বিশেষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী,সাথে অভয়ার বাবা মা
- ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে অংশ নেওয়া বিপ্লবী পরিবারদের সম্মান জানালেন রাজ্যপাল
ক্যালকাটা কালেক্টর্স ক্লাব ,PCI ও ভারতীয় ডাক বিভাগ এর উদ্যোগে লোকভবনে হয়ে গেল এক প্রদর্শনী ও ফাস্ট ডে কভার প্রকাশ l অনুষ্ঠানের পোশাকি নাম ছিল সেলিব্রেটিং ফ্রিডম থ্রু বেঙ্গল l প্রদর্শনীর মূল উদ্দেশ্য ছিল স্বাধীনতার সম্পর্কিত বিভিন্ন ধরনের মুদ্রা , স্ট্যাম্প , চিঠিপত্র, খবরে কাগজের রিপোর্ট সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরা l অনুষ্ঠানে রাজ্যপাল শ্রী আর এন রবি মহাশয় উপস্থিত স্বাধীনতা সংগ্রামীদের পরিবারবর্গ কে সম্মাননা জানান l ডাক বিভাগের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ঋজু গাঙ্গুলী, রবি সেবক, রৌনক দত্ত, হেমন্ত বহেলবালা, মধুগড় দেওগাওকা প্রমূখ ।
- প্রশংসিত জাতীয় পুরস্কার বিজয়ী চলচ্চিত্র নির্মাতা সৃজিত মুখার্জির মহারাজা তোমারে সেলাম: আনুষ্ঠানিক ঘোষণা
জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা সৃজিত মুখার্জি ‘মহারাজা তোমারে সেলাম’-এর মাধ্যমে ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসের এক অসাধারণ অধ্যায়কে জীবন্ত করে তুলেছেন। এটি ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম সেরা ক্লাসিক ‘গুপী গাইন বাঘা বাইন’-এর সৃষ্টির অবিশ্বাস্য সত্য ঘটনা—যা ১৯৬০-এর দশকের উত্তাল সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির মাঝে পরিকল্পিত ও নির্মিত হয়েছিল। জিৎু কমল, ঋত্বিক ভৌমিক, রুদ্রনীল ঘোষ, শতাক্ষী নন্দী, সায়রিতি ব্যানার্জি এবং অরিজিৎ দত্তের মতো অভিনেতাদের নিয়ে গঠিত এক শক্তিশালী কুশীলব-দল এই ছবিতে ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম আকর্ষণীয় অধ্যায়ের গল্পটি তুলে ধরেছে। ‘গুপী গাইন বাঘা বাইন’-এর মূল প্রযোজক সংস্থা ‘পিয়ালি ফিল্মস প্রাইভেট লিমিটেড’-এর সহযোগিতায় ‘হইচই স্টুডিওস’ ও ‘ফ্রেন্ডস কমিউনিকেশন’-এর প্রযোজনায় নির্মিত ‘মহারাজা তোমারে সেলাম’ কেবল চলচ্চিত্রের ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি নয়। এটি ‘গুপী গাইন বাঘা বাইন’ তৈরির পেছনের অসাধারণ যাত্রাকে অন্বেষণ করে—এর স্রষ্টার জীবন, তাঁর জয় করা নানা প্রতিকূলতা এবং সেই অটল শৈল্পিক সত্তা যা একটি দুঃসাহসী স্বপ্নকে ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম কালজয়ী ক্লাসিকে পরিণত করেছিল। মূলত, ‘মহারাজা তোমারে সেলাম’ জীবন, চলচ্চিত্র এবং গল্প বলার শিল্পের এক উদযাপন। এটি সেই সব পরিস্থিতি, সংগ্রাম এবং সৃজনশীল সিদ্ধান্তের অন্তরঙ্গ চিত্র তুলে ধরে যা একটি সাংস্কৃতিক মাইলফলক তৈরি করেছিল—যার জাদু আজও প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে মানুষকে মুগ্ধ করে চলেছে। স্বতন্ত্র গল্প বলার শৈলী এবং বাংলা সংস্কৃতি ও চলচ্চিত্রের প্রতি গভীর অনুরাগের জন্য পরিচিত সৃজিত মুখার্জির পরিচালনায় নির্মিত এই ছবিটি ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়কে নতুন করে তুলে ধরে এবং একই সঙ্গে শৈল্পিক কল্পনাশক্তি ও অদম্য অধ্যবসায়ের চিরন্তন শক্তিকে উদযাপন করে। সৃজিত মুখার্জির কথায়, "আমি কেবল ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম সেরা ক্লাসিক ‘গুপী গাইন বাঘা বাইন’-এর পরিকল্পনা ও নির্মাণের সেই অবিশ্বাস্য সত্য ঘটনাটিই তুলে ধরার চেষ্টা করছি।" এই যাত্রার সূচনা মাত্র হলো। পরবর্তী বড় ঘোষণায় ছবির ‘ফার্স্ট-লুক’ পোস্টারে থাকা আইকনিক চরিত্রগুলোকে সবার সামনে নিয়ে আসা হবে।
- জমি দখলের মামলায় তৃণমূল নেতা নজরুল বিশ্বাসকে ৩ দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।
জমি দখলের অভিযোগে অভিযুক্ত তৃণমূল কংগ্রেসের এক নেতাকে গ্রেপ্তারের একদিন পর, শুক্রবার তাঁকে তিন দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নদিয়া জেলা পরিষদের সদস্য নজরুল বিশ্বাস ধুবুলিয়া-২ ব্লকের অন্তর্গত ধুবুলিয়া বটতলার একজন প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা হিসেবে পরিচিত। তাঁকে কৃষ্ণনগরের মুখ্য বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে হাজির করা হয়েছিল। কৃষ্ণনগর জেলা জজ আদালতের আইনজীবী বিপ্লব বিশ্বাস জানিয়েছেন, পুলিশি হেফাজতের আবেদন শোনার পর আদালত তাঁকে তিন দিনের পুলিশি রিমান্ডের নির্দেশ দেয়। ভুবন চৌধুরী নামে এক ব্যক্তির দায়ের করা বেআইনিভাবে জমি দখলের অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এই মামলার জেরে বিশ্বাস বেশ কিছুদিন ধরেই গ্রেপ্তার এড়ানোর চেষ্টা করছিলেন।













