top of page

সীমান্তের জাগ্রত প্রহরী: ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর বীর জওয়ানদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা ও সেলাম!

আজ ১৫ই আগস্ট, ২০২৬। সমগ্র দেশ যখন উৎসবের আলোয় সেজে উঠে ভারতের ঐতিহাসিক ৮০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করছে, যখন আমরা পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘরে বসে ছুটির দিন উপভোগ করছি, তখন আমাদের একটু চোখ ফেরাতে হবে দেশের সীমান্তগুলোর দিকে। এই যে আমরা শান্তিতে ঘুমাতে পারছি, বুক ফুলিয়ে স্বাধীন দেশে বাঁচতে পারছি—তার পেছনের আসল কারিগর কারা জানেন? আমাদের ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর (Indian Armed Forces) অকুতোভয় বীর জওয়ানেরা।

আজকের এই বিশেষ দিনে আমাদের সেই সমস্ত বীর সৈনিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার দিন, যাঁরা দেশের সুরক্ষাকে নিজেদের জীবনের চেয়েও বড় করে দেখেছেন।



আমরা যখন সামান্য ঠান্ডায় ঘরের কম্বল ছেড়ে বের হতে চাই না, তখন আমাদের দেশের জওয়ানেরা মাইনাস ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় জমে যাওয়া সিয়াচেন হিমবাহে দাঁড়িয়ে তুষারঝড়ের মুখোমুখি হন। আবার যখন গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহে জীবন ওষ্ঠাগত হয়, তখন রাজস্থানের থর মরুভূমির ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের জ্বলন্ত বালিতে দাঁড়িয়ে তাঁরা শত্রুর ওপর কড়া নজর রাখেন। উত্তর-পূর্ব ভারতের দুর্গম পাহাড়ি জঙ্গল হোক বা ভারত মহাসাগরের উত্তাল ঢেউ—ভারতীয় সেনা (Army), বিমানবাহিনী (Air Force) এবং নৌবাহিনীর (Navy) কাছে একটাই ধর্ম, আর তা হলো—"Nation First, Always First" (দেশ আগে, সব সময় আগে)।



দীপাবলির প্রদীপ হোক বা ইদের আনন্দ, দুর্গাপূজার মণ্ডপ হোক বা স্বাধীনতা দিবসের উদযাপন—যেকোনো উৎসবের দিনেই আমাদের জওয়ানেরা তাঁদের মা, বাবা, স্ত্রী ও সন্তানদের ছেড়ে দেশের সীমান্তে এক বুক একাকীত্ব নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন। তাঁদের এই ত্যাগের কোনো মূল্য হয় না। শুধু জওয়ানেরা নন, স্যালুট জানাতে হয় তাঁদের পরিবারকেও, যাঁরা প্রতিদিন এক বুক উৎকণ্ঠ ও গর্ব নিয়ে তাঁদের বীর সন্তানদের ফিরে আসার অপেক্ষায় দিন গোনেন।

আজকের এই পবিত্র দিনে, কারগিল থেকে শুরু করে গালওয়ান পর্যন্ত—দেশের অখণ্ডতা রক্ষা করতে গিয়ে যে সমস্ত বীর জওয়ানরা নিজেদের বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়ে শহীদ হয়েছেন, সেইসব অমর আত্মাকে DailyTalkies20 এর পক্ষ থেকে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা ও শতকোটি প্রণাম।


 
 
 

Comments


bottom of page