top of page

মহান বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুর আত্মত্যাগ দিবসে, পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির প্রধান মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার এই বিপ্লবীর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন

মহান বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুর আত্মত্যাগ দিবসে, পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির প্রধান মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার এই বিপ্লবীর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেন, “মহান বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুর সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের কাছে জাতি ও দেশের মানুষ চিরঋণী হয়ে থাকবে। পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির পক্ষ থেকে আমরা তাঁর পবিত্র স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও প্রণাম জানাই।”


রাহুল গান্ধীর সাম্প্রতিক রাজনৈতিক আচরণের তীব্র সমালোচনা করে দেবজিৎ সরকার বলেন, “আজ রাহুল গান্ধী ও কংগ্রেসের কার্যকলাপ সংসদীয় গণতন্ত্রের মর্যাদা ও সম্মানকে প্রশ্নের মুখে ঠেলে দিয়েছে। ক্রমাগত মিথ্যা ছড়ানো, বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা এবং অপপ্রচার চালানোই এখন তাঁদের রাজনৈতিক কৌশলে পরিণত হয়েছে। করদাতাদের অর্থে পরিচালিত সংসদকে ব্যাহত করার অধিকার কারও নেই।”


তিনি আরও বলেন, “নিট (NEET) পরীক্ষা ইস্যুতে রাহুল গান্ধী বারবার নিজের অবস্থান পরিবর্তন করেছেন। শুরুতে দাবি ছিল প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার করতে হবে। গ্রেপ্তার শুরু হতেই দাবি বদলে গিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়ে পরিণত হয়। সরকার যখন আলোচনার জন্য সম্মত হলো, তখন দাবি আবার পরিবর্তিত হয়ে দাঁড়াল—‘আলোচনা নয়, পদত্যাগই চাই’। এরপর নিট পরীক্ষা প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনার দাবি তোলা হলো। সরকার সেই আলোচনাতেও রাজি হওয়ার পর নতুন দাবি সামনে এল—স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ এবং তাঁর কাছ থেকে বিবৃতি।”


দেবজিৎ সরকার বলেন, “এটি গঠনমূলক বিরোধিতা নয়। এটি সংসদীয় প্রক্রিয়াকে ক্ষুণ্ণ করার একটি সুপরিকল্পিত প্রচেষ্টা। সরকার যখন বারবার বলছে ‘আসুন, আমরা আলোচনায় বসি’, তখন সেই আলোচনা প্রত্যাখ্যান করা এবং সংসদের কাজে ব্যাঘাত ঘটানো গণতন্ত্রকেই অপমান করার শামিল।”


নিট (NEET) প্রশ্নপত্র ফাঁস মামলায় তদন্তকারী সংস্থাগুলোর পদক্ষেপের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, “দেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা চলছে। তদন্তের অংশ হিসেবে সিবিআই এবং রাজ্য পুলিশ ইতিমধ্যেই বিভিন্ন রাজ্য থেকে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করেছে। মহারাষ্ট্র, রাজস্থান, হরিয়ানা ও বিহার থেকে মোট ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্ত চলছে এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।”


সোনম ওয়াংচুককে গ্রেপ্তার বা জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে দেবজিৎ সরকার বলেন, “সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনেই তাঁকে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। অথচ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সেই ঘটনাটিকেও ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশ পালনকে ‘সরকারি দমন-পীড়ন’ হিসেবে তুলে ধরাটা আসলে মানুষকে বিভ্রান্ত করারই একটি অপচেষ্টা।”


Comments


bottom of page