নন্দীগ্রামে ধাক্কা খাওয়ার পরদিনই রেজিনগর উপনির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মনোনীত প্রার্থী নিজের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিলেন।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য এটি রাজনৈতিক বিপর্যয়ের সময়। নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনের লড়াই থেকে তাঁর দলের প্রার্থীর সরে দাঁড়ানোর ঠিক পরের দিনই রেজিনগরের উপনির্বাচনে দলের প্রার্থীও একই পথ অনুসরণ করলেন।
শনিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের প্রার্থী রবিউল আলম চৌধুরী নির্বাচনী লড়াই থেকে সরে দাঁড়ান।
এই সিদ্ধান্তের কারণ হিসেবে চৌধুরী রাজ্য প্রশাসনের হাতে দলের কর্মীদের হেনস্থার কথা উল্লেখ করেছেন।
সাংবাদিকদের তিনি বলেন, "এই মুহূর্তে দলের কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতীক নেই। দলের কর্মীদের নানাভাবে হেনস্থা করা হচ্ছে এবং তাঁদের অধিকাংশই কাজের সন্ধানে এলাকা ছেড়ে চলে গেছেন। আমি তবে কাদের নিয়ে নির্বাচনে লড়ব? প্রশাসনের চাপের মুখে কর্মীরা বলছেন যে তাঁরা নির্বাচনী লড়াইয়ে টিকে থাকতে পারবেন না। ঠিক এই কারণেই আমি আমার মনোনয়ন প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।"
নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর—উভয় কেন্দ্রেই ৬ অক্টোবর উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। আর এই দুই আসনেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখন প্রার্থীহীন হয়ে পড়েছেন।
এর আগে শুক্রবার, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের নন্দীগ্রামের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর তাঁর মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিয়েছিলেন।





Comments